১৭ রমজান: ইসলামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন
ভূমিকা :
ইসলামের ইতিহাসে কিছু দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময়। এর মধ্যে ১৭ রমজান অন্যতম, যা মুসলিম উম্মাহর জন্য এক বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এই দিনে দুটি ঐতিহাসিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল—একটি হল ইসলামের প্রথম ও মহিমান্বিত যুদ্ধ বদরের যুদ্ধ, এবং অপরটি হল আল্লাহর পক্ষ থেকে নাজিল হওয়া পবিত্র কুরআনের সূচনা। এই দুই ঘটনা ইসলামের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং আজও মুসলমানদের জন্য তা অনুপ্রেরণার উৎস।
বদরের যুদ্ধ: ইসলামের প্রথম বিজয়
ইসলামের সূচনালগ্নে মুসলমানরা মক্কার কুরাইশদের দ্বারা নানা নির্যাতনের শিকার হন। দীর্ঘ নির্যাতনের পর মহানবী মুহাম্মাদ ﷺ আল্লাহর নির্দেশে মদিনায় হিজরত করেন এবং সেখানে একটি শক্তিশালী ইসলামি রাষ্ট্র গঠনের উদ্যোগ নেন। তবে কুরাইশরা মুসলমানদের ক্রমবর্ধমান শক্তি মেনে নিতে পারেনি এবং তাদের নির্মূল করার পরিকল্পনা করতে থাকে। মদিনায় হিজরতের পর মুসলমানরা কুরাইশদের অর্থনৈতিক অবরোধের শিকার হন। এ সময় মুসলমানরা জানতে পারেন যে কুরাইশদের একটি বিশাল বাণিজ্য কাফেলা সিরিয়া থেকে ফিরছে, যা আবু সুফিয়ানের নেতৃত্বে ছিল। মুসলমানরা এই কাফেলা আটকানোর পরিকল্পনা করলেও আবু সুফিয়ান সতর্ক হয়ে যায় এবং কুরাইশদের কাছ থেকে সামরিক সহায়তা চেয়ে পাঠায়। ফলে, এক হাজার সৈন্যের বিশাল বাহিনী মক্কা থেকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য বের হয়।
যুদ্ধক্ষেত্রে মুসলমানদের প্রস্তুতি :
রাসুলুল্লাহ ﷺ মাত্র ৩১৩ জন সাহাবী নিয়ে যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ণ হন। তাদের মধ্যে মাত্র ২টি ঘোড়া এবং ৭০টি উট ছিল। অপরদিকে, কুরাইশদের ১০০০ জন সৈন্য, ২০০টি ঘোড়া ও বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র ছিল। বাহ্যিকভাবে মুসলমানরা ছিল দুর্বল, কিন্তু তাদের সঙ্গে ছিল আল্লাহর সাহায্য ও ঈমানের শক্তি।
ইসলামের টিকে থাকার ক্ষেত্রে বদরের মহত্ত্ব
হিজরির ২য় বর্ষের ১৭ই রমজান (৬২৪ খ্রিস্টাব্দ) সংঘটিত বদরের যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এটি শুধুমাত্র একটি সামরিক সংঘর্ষ নয়, বরং ইসলামের টিকে থাকা ও বিস্তারের জন্য একটি নির্ধারক মুহূর্ত ছিল। সেই সময় মুসলিম সম্প্রদায় ছিল ছোট এবং দুর্বল; এই যুদ্ধে তাদের ঈমানের শক্তি ও আল্লাহর উপর নির্ভরতা তাদের বিজয়ের পথে নিয়ে যায়।
সংখ্যার উপর ঈমানের শক্তি
বদরের যুদ্ধে মুসলিম বাহিনী ছিল মাত্র ৩১৩ জন, যাদের অস্ত্রশস্ত্র ছিল সীমিত—মাত্র দুইটি ঘোড়া এবং সত্তরটি উট। বিপরীতে, কুরাইশ বাহিনী ছিল ১,০০০ সুসজ্জিত যোদ্ধা, প্রচুর ঘোড়া, বর্ম এবং অস্ত্রসহ। তবে সাহাবাদের আল্লাহর সাহায্যের প্রতি বিশ্বাস তাদের অসাধারণ সাহস দিয়েছিল। কুরআনে এই দুর্বল মুহূর্ত এবং আল্লাহর সহায়তা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে:
وَلَقَدْ نَصَرَكُمُ اللَّهُ بِبَدْرٍ وَأَنتُمْ أَذِلَّةٌ فَاتَّقُوا اللَّهَ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
"আর নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের বদরে সাহায্য করেছেন, যখন তোমরা ছিলে দুর্বল। সুতরাং আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হতে পারো।" (সূরা আলে ইমরান ৩:১২৩) তাদের ঈমান এতটাই দৃঢ় ছিল যে তারা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বিচলিত হয়নি। আনসারদের একজন নেতা, সা'দ ইবন মু'আধ (রা.), নবী করিম (সা.)-কে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন:
يَا رَسُولَ اللَّهِ، لَقَدْ آمَنَّا بِكَ وَصَدَّقْنَاكَ، وَشَهِدْنَا أَنَّمَا جِئْتَ بِهِ هُوَ الْحَقُّ، وَأَعْطَيْنَاكَ عَلَىٰ ذَٰلِكَ عُهُودَنَا وَمَوَاثِيقَنَا، فَامْضِ يَا رَسُولَ اللَّهِ لِمَا أَرَدْتَ فَوَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَوِ اسْتَعْرَضْتَ بِنَا هَٰذَا الْبَحْرَ فَخُضْتَهُ لَخُضْنَاهُ مَعَكَ
"হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনার প্রতি ঈমান এনেছি এবং আপনাকে সত্য বলে মেনে নিয়েছি। আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি যা নিয়ে এসেছেন তা সত্য, এবং আমরা আপনাকে আমাদের অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। হে আল্লাহর রাসূল, আপনি যা ইচ্ছা তা করুন, সেই সত্তার কসম যিনি আপনাকে সত্য সহ প্রেরণ করেছেন, যদি আপনি আমাদেরকে এই সমুদ্রে প্রবেশ করতে বলেন, আমরা তা করব।" (মুসনাদ আহমদ) এই কথাগুলো সাহাবাদের অতুলনীয় আন্তরিকতা ও আনুগত্য প্রতিফলিত করে, যা তাদের বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
এ সম্পর্কে ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন: "দিবসের সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্য মূলত আমলের সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্যের উপর নির্ভর করে। কোনো একটি দিন কোনো সম্প্রদায়ের জন্য সৌভাগ্যের হতে পারে, আবার একই দিন অন্যদের জন্য দুর্ভাগ্যের হতে পারে, যেমন বদরের দিন ছিল মুমিনদের জন্য সৌভাগ্যের এবং কাফিরদের জন্য দুর্ভাগ্যের।"
আল্লাহর সাহায্য ও ফেরেশতাদের সমর্থন
এই যুদ্ধে একটি অসাধারণ ঘটনা ঘটেছিল—আল্লাহ মুমিনদের সাহায্যের জন্য হাজার হাজার ফেরেশতা প্রেরণ করেছিলেন। কুরআনে এই ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপ সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে:
إِذْ تَسْتَغِيثُونَ رَبَّكُمْ فَاسْتَجَابَ لَكُمْ أَنِّي مُمِدُّكُم بِأَلْفٍ مِّنَ الْمَلَائِكَةِ مُرْدِفِينَ
"যখন তোমরা তোমাদের প্রভুর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছিলে, তখন তিনি তোমাদের উত্তর দিয়েছিলেন: 'নিশ্চয়ই, আমি তোমাদের এক হাজার ফেরেশতা দ্বারা সাহায্য করব, যারা পরপর আসবে।'" (সূরা আল-আনফাল ৮:৯) সাহাবারা এই ফেরেশতাদের তাদের সাথে যুদ্ধ করতে দেখেছিলেন। ইবন আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন:
بَيْنَمَا رَجُلٌ مِنَ الْمُسْلِمِينَ يَتَّبِعُ رَجُلًا مِنَ الْمُشْرِكِينَ يَهْوِي لِيَضْرِبَهُ، إِذْ سَمِعَ ضَرْبَةَ سَوْطٍ فَوْقَهُ وَصَوْتَ فَارِسٍ يَقُولُ أَقْدِمْ حِيزُومُ، فَنَظَرَ إِلَى الْمُشْرِكِ فَقَدْ خُطِمَ أَنْفُهُ وَضُرِبَ وَقَعَ مَيِّتًا، فَجَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ ﷺ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَدْ سَبَقَنِي إِلَىٰ هَذَا قَتْلُهُ، فَقَالَ: ذَاكَ مِنْ مَلَائِكَةِ اللَّهِ نَزَلَ لِيُعِينَكُمْ
"একজন মুসলিম যোদ্ধা একজন মুশরিককে তাড়া করছিলেন তাকে আঘাত করার জন্য, তখন তিনি হঠাৎ তার উপরে একটি চাবুকের শব্দ শুনলেন এবং একটি কণ্ঠস্বর বলছে, 'অগ্রসর হও, হাইজুম!' (ঘোড়ার নাম)। তিনি দেখলেন যে মুশরিক পড়ে গেছে, তার নাক কাটা হয়েছে, এবং সে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। তিনি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে গিয়ে বললেন, 'হে আল্লাহর রাসূল, কেউ তাকে আমার আগে হত্যা করেছে।' রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, 'এটি আল্লাহর ফেরেশতাদের একজন ছিল, যিনি তোমাদের সাহায্য করতে নেমেছিলেন।'" (সহিহ মুসলিম)
বদরের যুদ্ধের ঘটনা: এক গৌরবময় বিজয়
হিজরতের দ্বিতীয় বছরে, রমজান মাসের ১৭ তারিখ, শুক্রবার, বদরের ঐতিহাসিক যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে মুসলমানরা মুশরিকদের বিরুদ্ধে এক গৌরবময় বিজয় অর্জন করে। এটি ছিল সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্যসূচক একটি দিন এবং ইসলামের নবজাগরণের সূচনা, যা নতুন ইসলামী রাষ্ট্র মদিনায় প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বরকতময় যুদ্ধের প্রভাব কেবল মদিনা ও মক্কার মুসলমান, মুশরিক ও ইহুদিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং সমগ্র আরব উপদ্বীপ এবং সারা বিশ্বের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
বদরের যুদ্ধে রাসুল (সা.)-এর নামাজ, দোয়া ও বিনয়
যারা বদরের যুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, তারা দেখবেন যে রাসুলুল্লাহ (সা.) অত্যন্ত বেশি নামাজ আদায় করেন এবং বিনয় ও আন্তরিকতার সাথে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করেন। তিনি কাফিরদের বিরুদ্ধে বিজয় লাভের জন্য আল্লাহর কাছে নিরবচ্ছিন্নভাবে দোয়া করতে থাকেন।
হযরত আলী (রা.) বলেন: "বদরের রাতে আমরা সবাই ঘুমিয়ে ছিলাম, শুধু রাসুলুল্লাহ (সা.) ছাড়া। তিনি একটি গাছের নিচে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করছিলেন এবং দোয়া করছিলেন ফজর পর্যন্ত।" (আহমদ, সহিহ আলবানী) অন্য এক বর্ণনায় ইবনে হিব্বান ও আল-আর্নাউত কর্তৃক উল্লেখিত হয়েছে: "রাসুলুল্লাহ (সা.) বদরের আগের রাত সম্পূর্ণভাবে ইবাদতে কাটিয়েছিলেন।"
বদরের কঠিন মুহূর্তে সাহাবাদের জন্য রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়া করেছিলেন:
اللَّهمَّ إنَّهم حُفاةٌ فاحملْهم، اللَّهمَّ إنَّهم عُراة فاكسُهم، اللَّهمَّ إنَّهم جياعٌ فأشبعهم، ففتحَ الله له يومَ بدرٍ فانقلبوا حينَ انقلبوا وما منهم رجلٌ إلَّا وقد رجعَ بجملٍ أو جملَينِ واكتَسوا وشبِعوا
"হে আল্লাহ! তারা নাঙ্গা, তুমি তাদের পোশাক দাও। হে আল্লাহ! তারা ক্ষুধার্ত, তুমি তাদের আহার দাও। হে আল্লাহ! তারা পায়ে হাঁটে, তুমি তাদের বাহন দাও।" আবু দাউদের বর্ণনায় এসেছে যে, বদরের বিজয়ের পর প্রত্যেক সাহাবা এক বা দুইটি উটসহ ফিরে এসেছিলেন, তাদের সবাই নতুন পোশাক পেয়েছিলেন এবং তাদের ক্ষুধা মিটে গিয়েছিল। (আবু দাউদ, সহিহ আলবানী)
বদরের যুদ্ধের দিন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বিনীত মিনতি
হযরত উমর (রা.) বলেন: "যখন বদরের যুদ্ধ শুরু হয়, রাসুলুল্লাহ (সা.) লক্ষ্য করলেন, মুশরিকদের সংখ্যা হাজারেরও বেশি, আর মুসলমানদের সংখ্যা মাত্র ৩১৯ জন। তিনি তখন কিবলার দিকে ফিরে দু’হাত তুলে এই দোয়া করতে থাকলেন:
اللهم أنجز لي ما وعدتني، اللهم آت ما وعدتني، اللهم إن تهلك هذه العصابة (الجماعة من الناس) من أهل الإسلام لا تُعْبد في الأرض
‘হে আল্লাহ! তুমি আমাকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছো, তা পূরণ করো। হে আল্লাহ! তুমি যদি আজ এই ক্ষুদ্র মুসলিম দলকে ধ্বংস করে দাও, তাহলে পৃথিবীতে তোমার ইবাদত আর কেউ করবে না।’ তিনি এতটাই আন্তরিকভাবে দোয়া করছিলেন যে, তার চাদর কাঁধ থেকে পড়ে গেল। তখন আবু বকর (রা.) এসে চাদর তুলে দিয়ে বললেন: ‘হে আল্লাহর রাসুল! যথেষ্ট হয়েছে, নিশ্চয়ই আপনার রব আপনাকে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা পূরণ করবেন।’"
বদরের যুদ্ধের শিক্ষা
বদরের যুদ্ধ আমাদের শেখায় যে, বিজয় কেবলমাত্র অস্ত্র ও বাহুবলের উপর নির্ভর করে না, বরং আল্লাহর সাহায্যই প্রকৃত বিজয়ের কারণ। আল্লাহ বলেন:
وَمَا النَّصْرُ إِلَّا مِنْ عِنْدِ اللهِ العَزِيزِ الحَكِيمِ
"সাহায্য তো একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে, যিনি পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।" (আলে ইমরান: ১২৬) তাই নবী (সা.) সব যুদ্ধেই দোয়ার প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব দিতেন, যা সাহাবীদের জন্য এক মহৎ শিক্ষাও ছিল। আল্লাহ বলেন:
"তোমাদের রব বলেছেন: তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেবো। নিশ্চয়ই যারা আমার ইবাদত থেকে অহংকার করে, তারা অপমানিত অবস্থায় জাহান্নামে প্রবেশ করবে।" (গাফির: ৬০) রাসুল (সা.) বলেছেন: "নিশ্চয়ই দোয়াই ইবাদত।" (ইবন মাজাহ, সহিহ আলবানী) বদরের যুদ্ধের মতো কঠিন পরিস্থিতিতে আমাদেরকেও আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে হবে এবং তাঁর উপর পূর্ণ আস্থা রাখতে হবে।
উপসংহার :
১৭ রমজান ইসলামের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই দিনে ইসলামের প্রথম যুদ্ধ বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, যা মুসলমানদের জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল বিজয় ছিল, যা মানবজাতির জন্য আল্লাহর সর্বশেষ পথনির্দেশ। এই দিনটি আমাদের ঈমানকে শক্তিশালী করার শিক্ষা দেয় এবং আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে সত্য ও ন্যায়ের পথে আল্লাহর সাহায্য সবসময় থাকবে। মুসলিম উম্মাহর জন্য ১৭ রমজান এক অনুপ্রেরণার দিন, যা আমাদের ইতিহাস, শিক্ষা ও আত্মনিবেদনের গুরুত্ব উপলব্ধি করাতে সাহায্য করে।